সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
মানসিক চাপে পড়ে রামপালে ঔষধ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

মানসিক চাপে পড়ে রামপালে ঔষধ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদাতা 
দেনার দায় থেকে মুক্তি পেতে রামপালের ওষুধ ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছে এমন কথা শোনা গেলেও মৃত্যুর পর বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে মৃত্যুর কারন। এ নিয়ে নানা গুনজন শুরু হয়েছে। পুলিশ বলছে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে না পেলে মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। স্বজনরা বলছে ভিন্ন কথা, পাওনাদারদের মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারনা। আত্মহত্যার প্ররাচনার জন্য তারা তিন ব্যাক্তিকে দায়ী করেছে।
জানা গেছে উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের সোনাকুড় গ্রামের  আলাউদ্দিনের মেয়ে পাপিয়াকে খুলনা মহানগরের নিরালা আবাসিক এলাকার মত আরজ আলীর ছেলে মো. সফিকুর রহমান সফিক (৪০) বিয়ে করে ঘর জামাই হিসাবে শ্বশুর বাড়িতে থেক স্থানীয় সোনাকুড় নুতন হাট এলাপ্যাথিক ঔষধের ব্যবসা করতেন। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কিছু টাকার দেনা হয়ে পড়েন। দেনা পরিশোধ করতে না পারায় বেশ কিছুদিন তিনি মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন বলে তার স্ত্রী পাপিয়া বেগম জানান। তিনি আরও জানান তার স্বামীর ঔষধের দোকানে বসে নিয়মিত রোগী দেখতেন বাগরহাটের খানপুর গ্রামের আবুল কালাম নামের একজন গ্রাম ডাক্তার। তিনি আমার স্বামীর দাকানের ঔষধ বিক্রি করে ৬৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। এছাড়া এলাকার মেহেদী নামের একজন আমার স্বামীর কাছ ৮ হাজার টাকা পাবে শোনা গেলও তিন এখন বলছেন ৮০ হাজার টাকা পাবেন। আদাঘাটের তানজিমাত নামের আরও একব্যাক্তি ৯ হাজার টাকা পাবেন এমন দাবী
করে তিনি দোকানে গিয়ে টাকা পরিশোধের সময় বেধে দেন। বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে টাকা পরিশাধ না করলে তাকে ন্যাংটা করে বাজারে ঘোরাবেন বলে হুমকি দেন। পাপিয়ার দাবী পাওনাদারদের মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তার স্বামী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। আর এরজন্য ওই তিন ব্যাক্তি দায়ী। তিনি তাদের শাস্তির দাবী করেন। নাম প্রকাশ না করে স্থানীয় লোকজন বলেন দেনা পাওনা নিয়ে সফিকের শ্বশুর বাড়ির লোকজনের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। সফিক যেদিন আত্মহত্যা করে সেদিন তার এক শ্যালক তাকে মারধর করে পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর সফিক দোকানে আশার সময় সে হাতে রশি নিয়ে বাড়ি থেক বের হন বলে তারা দাবী করেন। পরবর্তীতে তিনি দোকানে এসে বিকাল পৌন ৫ টায় দোকানের ভিতরে গলায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তার  স্ত্রী ও শ্যালকরা বলেন তাকে মারধর করার প্রশ্ন ওঠেনা। সে আমাদের সবার প্রিয় ছিল। তাকে আমরা অনেক ভালোবাসতাম। সোনাকুড় বাজারে আমাদের দোকান নিয়ে একটা পক্ষের সাথে দ্বন্দ্ব ছিল। আইনি লড়াই করে সেই দোকান আমাদের মায়ের নামে রেকর্ড করেছি। এজন্য কিছু লোক আমাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দিচ্ছে।
 এ ব্যপারে অভিযুক্ত আবুল কালাম বলেন আমার কাছে সে কোন টাকা পাবে না। সে আমার ও আমার বাবার কাছে হাতেপায়ে ধরে টাকা ধার চেয়েছিল। গত তিন মাস তার দোকানে বসতাম না। তবে সে দেনার দায়ে মানসিক সমস্যায় ছিল বলে তিনি জানান। মহদী বলেন আমি টাকা পাবো। তবে দেখে বলতে হবে কত টাকা পাবো। অভিযুক্ত তানজিমাতের সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় তার  বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লখ্য গত ১ অক্টোবর রবিবার সোনাকুড় নুতন হাটের ঔষধ ব্যবসায়ী ঘর জামাই সফিক গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনার পর রামপাল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দিন রাতে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গ পাঠায়। এ ব্যপারে রামপাল থানায় একটা ইউডি মামলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers